চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব সদস্য হত্যা ও হামলার ঘটনার পর এখন মূল প্রশ্ন—মাইকে ঘোষণা দিল কারা, আর কীভাবে এত অল্প সময়ে ৪০০–৫০০ মানুষ জড়ো হলো? এলাকা ঘিরে নেওয়া যৌথবাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, ঘটনাস্থলের আশপাশে অন্তত তিনটি মসজিদ আছে। প্রতিদিনের মতো মাগরিবের আগে–পরে এখানে মাইক ব্যবস্থাপনা চালায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত মোয়াজ্জিন ও খতিবরা। তবে র্যাবের উপস্থিতি টের পাওয়ার পর যে ঘোষণাটি দেওয়া হয়, তা কি মসজিদের মাইক থেকে, নাকি এলাকার আরেকটি সাউন্ড সিস্টেম থেকে—এ নিয়ে এখন তদন্ত চলছে। কারণ র্যাবের দুটি গাড়ি অভিযানে ঢোকার সময় পাশের মাইকে একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের মাইক থেকে হামলার কথা বলা হয়।
র্যাবের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, হামলাটা খুব দ্রুত পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। আমরা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম ভেতরে কোনো নিরীহ মানুষ আছে কি না, তাই গুলি করিনি।
আমাদের সদস্যরা আত্মরক্ষায় ন্যূনতম চেষ্টা ছাড়া অস্ত্র ব্যবহার করেনি। হামলাকারীরা আগে থেকেই সমন্বিত ছিল কি না, কারা ঘোষণা দিয়েছে—সবকিছুর তদন্ত চলছে।